আমদানিকৃত শসার বীজ

🥒শসা চাষের উপযুক্ত সময় হলো অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি (শীতকাল) এবং জুন-জুলাই (বর্ষার শুরু)।
🥒হাইব্রিড ও উন্নত জাতের কারণে এখন অনেক জায়গায় প্রায় ১২ মাসই শসা চাষ করা সম্ভব।
🥒তবে অতিরিক্ত গরম বা বর্ষায় ফলন কমে যেতে পারে এবং রোগ-পোকামাকড় হয়, তাই বাড়তি যত্ন লাগে।

সহজ চাষপদ্ধতি দেখুন

🥒 শসা চাষপদ্ধতি (সহজ ধাপে ধাপে গাইড)

✅ ধাপ ১: সময় ও জায়গা নির্বাচন

  • উপযুক্ত সময়: অক্টোবর-ফেব্রুয়ারি (শীতকাল) এবং জুন-জুলাই (বর্ষার শুরু)।

  • রোদযুক্ত, পানি নিষ্কাশন ভালো এমন উঁচু জমি নির্বাচন করুন।


✅ ধাপ ২: জমি ও মাটি প্রস্তুত

  • জমি ২-৩ বার চাষ করে আগাছা পরিষ্কার করুন।

  • প্রতিশতকে ৮-১০ কেজি পচা গোবর ও অন্যান্য জৈব সার মেশান।

  • দোআঁশ বা বেলে-দোআঁশ মাটি শসার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত।


✅ ধাপ ৩: বীজ বপন

  • বীজ সরাসরি জমিতে বপন করা হয় (আগে চারা করে নিলে অনেক ভালো)

  • প্রতি গর্তে ২-৩টি বীজ বপন করুন এবং গর্তের দূরত্ব ১.৫-২ ফুট রাখুন।

  • হালকা পানি দিয়ে মাটি চাপা দিন।


✅ ধাপ ৪: চারা গজানো ও পাতলা করা

  • ৪-৭ দিনের মধ্যে বীজ গজায়।

  • চারা বড় হলে প্রতি গর্তে ১-২টি ভালো চারা রেখে বাকি তুলে ফেলুন।


✅ ধাপ ৫: মাচা তৈরি (প্রয়োজনে)

  • শসা লতানো গাছ — তাই চাইলে বাঁশ বা জাল দিয়ে মাচা তৈরি করুন।

  • এতে গাছ বাতাস পায়, ফল পরিষ্কার থাকে এবং রোগ কম হয়।


✅ ধাপ ৬: সার ও পরিচর্যা

  • ইউরিয়া, টিএসপি ও এমওপি সঠিক মাত্রায় প্রয়োগ করুন।

  • নিয়মিত পানি দাও ও আগাছা পরিষ্কার করুন।

  • গাছের গোড়া আলগা করে বাতাস চলাচল নিশ্চিত করুন।


✅ ধাপ ৭: রোগ ও পোকা দমন

  • ডাউনি মিলডিউ, লিফ স্পট, ফল পচা ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে।

  • জৈব বা অনুমোদিত কীটনাশক ব্যবহার করুন।

  • পোকা ধরার জন্য হলুদ আঠালো ফাঁদ ব্যবহার করতে পারো।


✅ ধাপ ৮: ফল সংগ্রহ

  • বীজ বপনের ৪০-৫০ দিনের মধ্যে শসা তোলা শুরু হয়।

  • পরিপক্ব হওয়ার আগেই তুললে স্বাদ ভালো থাকে।

  • ২-৩ দিন পরপর সংগ্রহ করো যেন গাছ নিয়মিত ফল দেয়।


📌 অতিরিক্ত টিপস:

  • প্রতি গাছ থেকে ২০-৩০টি পর্যন্ত শসা পাওয়া যেতে পারে।

  • উন্নত জাত ব্যবহার করলে ফলন অনেক বেশি হয় এবং বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক।

Scroll to Top