আমদানিকৃত কুমড়ার বীজ

🎃মিষ্টি কুমড়া ও স্কোয়াশ সাধারণত শীতের শেষে (জানুয়ারি-মার্চ) ও বর্ষার পরে (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর) চাষের উপযুক্ত সময়।
🎃অতিরিক্ত গরম ও বৃষ্টিতে ফলন কমে যায়, তবে আবহাওয়া অনুকূল থাকলে মাঝেমধ্যে অফ-সিজনে সীমিত চাষ করা যেতে পারে।
সহজ চাষপদ্ধতি দেখুন

🎃 মিষ্টি কুমড়া চাষপদ্ধতি (সহজ ধাপে ধাপে গাইড)

✅ ধাপ ১: সময় ও জায়গা নির্বাচন

  • উপযুক্ত সময়: জানুয়ারি-মার্চ (বসন্তকাল) এবং সেপ্টেম্বর-অক্টোবর (শরৎকাল)।

  • খোলামেলা, রোদযুক্ত ও পানি না জমা এমন উঁচু জমি নির্বাচন করুন।


✅ ধাপ ২: জমি ও মাটি প্রস্তুত

  • জমি ২-৩ বার চাষ করে আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।

  • প্রতিশতকে ৮-১০ কেজি পচা গোবর ও জৈব সার মিশিয়ে নিন।

  • বেলে দোআঁশ মাটি সবচেয়ে ভালো হয় কুমড়ার জন্য।


✅ ধাপ ৩: বীজ বপন

  • বীজ সরাসরি মূল জমিতে বপন করা যায়।

  • প্রতি গর্তে ২-৩টি বীজ বপন করো, ১.৫-২ ফুট দূরত্বে গর্ত রাখুন।

  • হালকা পানি দিয়ে মাটি দিয়ে বীজ ঢেকে দিন।


✅ ধাপ ৪: চারা গজানো ও পাতলা করা

  • ৫-৭ দিনের মধ্যে বীজ থেকে চারা গজায়।

  • চারা কিছুটা বড় হলে প্রতি গর্তে ১-২টি ভালো চারা রেখে বাকি গুলো তুলে ফেলুন।


✅ ধাপ ৫: মাচা তৈরি (প্রয়োজনে)

  • লতানো জাত হলে বাঁশ বা জাল দিয়ে মাচা তৈরি করুন।

  • এতে ফল মাটি থেকে উপরে থাকবে, রোগ ও পচা কমবে।


✅ ধাপ ৬: সার ও পরিচর্যা

  • ইউরিয়া, টিএসপি ও এমওপি নির্দিষ্ট মাত্রায় প্রয়োগ করুন।

  • প্রতি ৭-১০ দিনে হালকা পানি দাও এবং আগাছা পরিষ্কার করুন।

  • মাটি আলগা করো যেন শিকড়ে বাতাস পায়।


✅ ধাপ ৭: রোগ ও পোকা দমন

  • ফল পচা, পাতায় দাগ ও পোকা হতে পারে — তাই জৈব বা অনুমোদিত কীটনাশক প্রয়োগ করুন।

  • প্রয়োজন হলে IPM পদ্ধতি অনুসরণ করুন।


✅ ধাপ ৮: ফল সংগ্রহ

  • বীজ বপনের ৭০-৯০ দিনের মধ্যে ফল পরিপক্ব হয়।

  • কুমড়ার গায়ের রঙ হালকা হলুদ-সবুজ হলে তুলতে পারেন।

  • ছুরি দিয়ে সাবধানে কেটে সংগ্রহ করুন, যেন ডাঁটা অক্ষত থাকে।


📌 অতিরিক্ত টিপস:

  • ১টি গাছ থেকে ৩-৬টি পর্যন্ত কুমড়া পাওয়া যায়।

  • উন্নত জাত ব্যবহার করলে ও ভালো পরিচর্যায় প্রতি একরে ১৫-১৮ টন পর্যন্ত ফলন পাওয়া সম্ভব।

Scroll to Top